রাউটার সর্বোচ্চ স্পিড এবং সুরক্ষার জন্য বিশেষ ১০ টি কাজ করুন

আচ্ছা আপনি তো ওয়াইফাই ব্যবহার করেন তাই না? কিন্তু ভালো সার্ভিস (স্পিড এবং সুরক্ষা) পাচ্ছেন না, তাই তো! আমি কিন্তু অনেক ভালো সার্ভিস পাচ্ছি।
আচ্ছা ওয়াইফাই নেট ব্যবহারের মানেই তো এক্সট্রা কিছু সুবিধা, তাই নয় কি?
যেমন: অসাধারন গতি, সাথে কম মূল্য।আর অসুবিধা?

একদম বাংলাদেশের লোডশেডিং এর মতো একবার গেলে আর কোন খবর থাকে না। তারপরেও আমি বলবো ব্রডব্যান্ড ইস বেস্ট। অন্তত আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার যদি ভদ্রলোক হয়, তবে আপনি অনেক শান্তিতে নেট চালাতে পারবেন।
এখন সরাসরি মুল কাজের কথায় আসবো।

আপনি কি জানেন?

যেভাবে আপনি আপনার ওয়াইফাই রাউটার ব্যবহার করলে বর্তমানের থেকে আরও বেশী সুবিধা ভোগ করা সম্ভব।
এর জন্য আমি আপনাকে ১০ টি সাজেশন্স দেবো।
এগুলো মেনে রাউটার ব্যবহার করে দেখুন, বর্তমানের চেয়ে একটু বেশি স্পিড এবং সিকিউরিটি পাওয়া যায় কিনা।

আপনার রাউটারের ফার্মওয়্যার আপডেট রাখুন:

সবসময় আপডেট রাউটার ব্যবহার করুন। অনেক সময় এমন হয়, আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার ইচ্ছা করে তাদের নিজস্ব রাউটার আপনাকে ধরিয়ে দিবে। যেটা পরে অনেক বিড়ম্বনার কারন হতে পারে। তাই রাউটার কিনবেন নিজের ইচ্ছা মতো দেখে শুনে।

সুবিধাজনক যায়গাতে রাউটারটি স্থাপন করুন:

রাউটারটি স্থাপন করবেন এমন একটি স্থানে যেখান থেকে প্রায় সব ঘরে সমান ভাবে সিগন্যাল পৌছাতে পারে।

শক্ত পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা:

আপনি যখন একটা শক্তপোক্ত পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন তখন আর বাইরের কেউ আপনার নেট লাইন ব্যবহার করতে পারবে না।
প্লাস পাবেন সিকিউর নেট সার্ভিস।

ওয়াইফাই চ্যানেল:

সবসময় সঠিক ওয়াইফাই চ্যানেল ব্যবহার করবেন।
বেশিরভাগ সার্ভিস প্রভাইডার ২.৪ গিগাহার্জ ব্যবহার করে যেটা সবার জন্য পারফেক্ট নাও হতে পারে।

পুরনো ডিভাইস ডিসকানেক্ট করে রাখুন:

কথাটার মানে হল, যখন কোন ডিভাইস আর ব্যবহার না করবেন, তখন সেটি ওয়াইফাই রাউটার থেকে ডিসকানেক্ট করে রাখুন।

স্পিড টেস্ট:

সময় সময় পিং টেস্টের মাধ্যমে আপনার নিয়মিত ইন্টারনেট গতি পরিক্ষা করতে পারেন। আর এ জন্য আপনাকে এই সাইটে যেতে হবে- www.pingtest.net/
স্পিড কম পেলে আপনি ইনটারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারকে কম্প্লেইন জানিয়ে সমস্যার সমাধান পেতে পারেন।

রিস্টার্ট:

অনেক সময় এমন হয় দেখবেন আপনার রাউটার চলতে চলতে হ্যাং করে। আর হঠাৎ করেই স্পীড গায়েব বা নেট লাইন ডিসকানেক্ট হয়ে যায়। এমতাবস্থায় কিছু করবেন না।
শুধু আপনার রাউটারটি একবার অফ করে আবার অন করুন বা রিস্টার্ট দিন।

একাধিক রাউটারের ব্যবহার:

অনেক সময় এমন হয়, আপনার ফ্লোরের স্পেস অনেক বড় আর দুর্ভাগ্য বসতো আপনি যে রাউটারটি কিনেছেন সেটি সম্পূর্ণ ফ্লোর কভার করতে পারছে না যার ফলে আপনার নেট স্পীড অনেক কম আসছে। এমতাবস্থায় আরেকটি রাউটার কিনে সেটি ঘরের আরেক কোনায় সেট করে নিতে পারেন।

একই সিগন্যালের ডিভাইস থেকে দূরে রাখা:

মনে রাখবেন আপনার ঘড়ের কিছু কমন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস আছে, যেগুলো একই গিগাহার্জ (২.৪) ব্যবহার করে।
যেমন: টিভি, কর্ডলেস ফোন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ইত্যাদি।
আর আপনি যদি সেই একই ডিভাইসের পাসে রাউটার স্থাপন করেন, তবে স্বাভাবিক ভাবেই রাউটার তার নিজস্ব সিগন্যাল দিতে বাধাগ্রস্ত হবে।

এন্টেনা:

প্রয়োজনের উপরে ভিত্তি করে চেষ্টা করুন এন্টেনা সহ রাউটার কিনতে। আর আপনি চাইলে পুরনো রাউটারের এন্টেনা পরিবর্তন করে নতুন, বড় বা আরও উন্নত এন্টেনা লাগিয়ে নিতে পারবেন।
এটা করার জন্য আপানাকে নিকটস্থ রাউটারের দোকানে যোগাযোগ করতে হবে। ধন্যবাদ

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *